শার্শা প্রতিনিধি।। ভারতের বাণিজ্য শহর কলিকাতার সাথে বেনাপোলের দূরত্ব কম হওয়ায় যাত্রীরা বেনাপোল পেট্রাপোল স্থলপথে যাতায়াতে করেন বেশি।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় যাত্রীরা সহজেই বেনাপোল আসতে পারছেন এবং দু’দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারছেন। ঈদের ছুটি কাটাতে, চিকিৎসা ভ্রমণ ব্যবসা সহ স্বজনদের সাথে দেখা করতে ভারতে গেছেন অনেকে। ঈদের দুদিনে বাধভাঙ্গা জোয়ারের ন্যায় বেড়েছিল যাত্রী যাতায়াত। যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড় সামলাতে হিমশিম খেয়েছেন প্রশাসনের সদস্যরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিল দীর্ঘ লাইন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন কতৃপক্ষ জানায়,গত ৩ দিনে প্রায় ২২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেছে। ঈদের পরে চিকিৎসা দর্শনীয় স্পটে ভ্রমণ, স্বজনদের সাথে দেখাসহ কেনাকাটা শেষে স্বপরিবারে হাজার হাজার যাত্রী ফিরছেন দেশে।
বেনাপোলের ওপারে নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের নানা ভাবে হয়রানির শিকার ও দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুন। ভারতীয় অংশে গেটে পাসপোর্ট চেকিং ধীর গতিতে এবং প্রবেশের একটি গেট হওয়ায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। রোদ বৃষ্টি ও গরমে অতিষ্ট হচ্ছেন যাত্রীরা। ভারতের পেট্রপোল ইমিগ্রেশনে ধীর গতির কারনে নো-ম্যাসল্যান্ডে রাত ১০ টা পর্যন্ত দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে পাসপোর্ট যাত্রীদের ।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঈদের ছুটির কাটিয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রীদের পারাপার সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য সময়ের চেয়ে এখন যাত্রী পারাপার বৃদ্ধি পেয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ১৪টি ডেস্কে কাজ চলছে এবং জনবল বাড়ানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের সাথে বেনাপোল কাস্টমস সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও যাত্রী পারাপার কাজে সহযোগিতা করছেন। বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশ যাত্রী হয়রানি কমাতে বন্দরেরর বাহিরে কাজ করছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দর উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবির তরফদার বলেন, যাত্রী পারাপারে আমরা পাসপোর্ট যাত্রীদের সবোচ্চ সুবিধা প্রদান করছি। যাত্রীদের সুবিধার জন্য এসির মধ্যে বসা, খাবার ও পানির ব্যবস্থা করেছি। যাত্রীদের বসার সু-ব্যবস্থার জন্য বন্দরের ২য় তলায় ৫০ টাকা নিয়ে এসির মধ্যে বসানো হচ্ছে। কিন্তু অধিকাংশ যাত্রী সেখানে যাচ্ছেন নাহ। যাত্রী হয়রানি কমাতে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও দালাল মুক্ত করা হয়েছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/শিরিন আলম